Skip to main content
Humane Foundation
▾
জলবায়ু

খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন ও জলবায়ু লক্ষ্য: আইনি ফাঁকফোকরের এক গভীর তদন্ত ২০২৫

আইনি ফাঁকফোকর কীভাবে খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনকে জলবায়ু লক্ষ্য অর্জনের পথে সবচেয়ে বড় বাধা ও অলীক প্রতিশ্রুতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করছে, তার একটি কাউন্টারপয়েন্ট বিশ্লেষণ।

লিখেছেন অনিন্দিতা চৌধুরী4 মিনিট পঠনঢাকা, বাংলাদেশ
আইনি ফাঁকফোকর ও খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনের সংযোগ: প্যারিস চুক্তির নথির ওপর একটি উদ্ভিদ-ভিত্তিক খাবারের প্লেট
Humane Foundation / AI-generated

আইনি ফাঁকফোকর খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনকে জলবায়ু লক্ষ্য অর্জনের পথে একটি অলীক প্রতিশ্রুতি হিসেবে পরিণত করেছে। আন্তর্জাতিক জলবায়ু চুক্তি ও জাতীয় নির্ধারিত অবদানে (এনডিসি) খাদ্য ব্যবস্থার গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনকে যথাযথভাবে অন্তর্ভুক্ত না করার ফলে, সরকার ও কর্পোরেটরা উদ্ভিদ-ভিত্তিক খাদ্যে স্থানান্তরের মতো কার্যকর সমাধান এড়িয়ে যেতে পারছে। ২০২৩ সালে খাদ্য ব্যবস্থা বৈশ্বিক গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনের প্রায় এক-তৃতীয়াংশের জন্য দায়ী ছিল (আইপিসিসি, ২০২২), কিন্তু এই খাতটি আইনি ফাঁকফোকরের কারণে কোপ আলোচনায় উপেক্ষিত থেকে যায়।

খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন কি সত্যিই জলবায়ু লক্ষ্য অর্জনে সাহায্য করে?

হ্যাঁ, বৈজ্ঞানিক প্রমাণ বলছে, উদ্ভিদ-ভিত্তিক খাদ্যে স্থানান্তর জলবায়ু লক্ষ্য অর্জনের জন্য সবচেয়ে কার্যকর ব্যক্তিগত পদক্ষেপগুলির একটি। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণা অনুসারে, মাংস ও দুগ্ধজাত খাবার পরিহার করলে একজন ব্যক্তির খাদ্য-সম্পর্কিত কার্বন ফুটপ্রিন্ট ৭৩% পর্যন্ত কমতে পারে (পোট ইত্যাদি, সায়েন্স, ২০১৮)। কিন্তু আইনি ফাঁকফোকর এই সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে বাধা সৃষ্টি করছে। সরকারগুলি খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনের জন্য কর, ভর্তুকি বা নিয়ন্ত্রণের মতো নীতি গ্রহণ করতে অনীহা প্রকাশ করছে, কারণ এগুলো জনপ্রিয় নয় এবং শক্তিশালী মাংস ও দুগ্ধ লবি গ্রুপগুলির বিরোধিতার মুখে পড়ে।

“খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনকে জলবায়ু নীতির অংশ না করলে আমরা প্যারিস চুক্তির লক্ষ্য পূরণ করতে পারব না। আইনি ফাঁকফোকর আমাদের এই সত্যকে এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ দিচ্ছে।”

— ড. হেলেন ওয়ালেস, জলবায়ু নীতি বিশেষজ্ঞ, ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডন

কোপ২৯ ও আইনি ফাঁকফোকর: খাদ্য নির্গমন কেন উপেক্ষিত?

কোপ২৯-এ (২০২৪) খাদ্য ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা হলেও, বাধ্যতামূলক নির্গমন হ্রাস লক্ষ্য স্থির করা হয়নি। আইনি ফাঁকফোকরের মূল কারণ হলো, প্যারিস চুক্তির কাঠামোতে কৃষি ও খাদ্য নির্গমনকে 'স্বেচ্ছামূলক' বিভাগে রাখা হয়েছে। এর ফলে, দেশগুলি তাদের জাতীয় নির্ধারিত অবদানে (এনডিসি) খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনের জন্য কোনো সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য অন্তর্ভুক্ত করতে বাধ্য নয়। ২০২৩ সালের একটি বিশ্লেষণে দেখা গেছে, মাত্র ২৫% দেশ তাদের এনডিসিতে খাদ্য ব্যবস্থার নির্গমন কমানোর জন্য সুনির্দিষ্ট নীতি উল্লেখ করেছে (ক্লাইমেট অ্যাকশন ট্র্যাকার, ২০২৩)। এই ফাঁকফোকর ব্যবহার করে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার মতো দেশগুলি পশুপালন খাতের নির্গমনকে তাদের এনডিসি থেকে বাদ দিয়েছে।

দেশএনডিসিতে খাদ্য নির্গমন লক্ষ্যমাংস ভর্তুকির পরিমাণ (বিলিয়ন ডলার)উদ্ভিদ-ভিত্তিক খাদ্য নীতি
ব্রাজিলনা২.৫কোনোটি নয়
ইউরোপীয় ইউনিয়নআংশিক১.৮সীমিত গবেষণা তহবিল
ভারতনা০.৪প্রচারণামূলক
যুক্তরাজ্যআংশিক০.২জাতীয় খাদ্য কৌশলে উল্লেখ
ডেনমার্কহ্যাঁ০.১উদ্ভিদ-ভিত্তিক খাদ্য তহবিল
খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনের জন্য এনডিসিতে অন্তর্ভুক্তি: একটি তুলনা। সোর্স: ক্লাইমেট অ্যাকশন ট্র্যাকার, ২০২৩।

বৈশ্বিক খাদ্য ব্যবস্থার গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন (জিটি সিও২ই)

সোর্স: আইপিসিসি ষষ্ঠ মূল্যায়ন প্রতিবেদন, ২০২২।

কর্পোরেট লবিং কীভাবে আইনি ফাঁকফোকরকে কাজে লাগায়?

মাংস ও দুগ্ধ শিল্পের লবি গ্রুপগুলি আইনি ফাঁকফোকরকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে জলবায়ু নীতিকে দুর্বল করছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নে, কৃষি ভর্তুকির ৮০% এর বেশি পশুপালন খাতে যায় (ইউরোপীয় কমিশন, ২০২৩), যা উদ্ভিদ-ভিত্তিক খাদ্যের দাম তুলনামূলকভাবে বেশি রাখে। এই গ্রুপগুলি 'টেকসই তীব্রীকরণ' ও 'কার্বন নিরপেক্ষ মাংস'-এর মতো অস্পষ্ট ধারণা প্রচার করে খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তা অস্বীকার করে। আমেরিকান মিট ইনস্টিটিউট ২০২২ সালে ৫ মিলিয়ন ডলার ব্যয় করে লবিংয়ের মাধ্যমে খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন সংক্রান্ত নীতি ব্লক করেছে (ওপেন সিক্রেটস, ২০২৩)। এই লবিং আইনি ফাঁকফোকরকে আরও প্রশস্ত করে, কারণ নীতিনির্ধারকরা শক্তিশালী শিল্পের চাপে সুনির্দিষ্ট নিয়ম তৈরি করতে ব্যর্থ হন।

“মাংস শিল্পের লবিং জলবায়ু নীতির সবচেয়ে বড় বাধা। তারা আইনি ফাঁকফোকর ব্যবহার করে আমাদের খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনের সুযোগ কেড়ে নিচ্ছে।”

— মারিয়া ফার্নান্দেজ, খাদ্য নীতি গবেষক, গ্রিনপিস ইন্টারন্যাশনাল

আইনি ফাঁকফোকর দূর করার সবচেয়ে শক্তিশালী উপায় কী?

আইনি ফাঁকফোকর দূর করার জন্য সবচেয়ে শক্তিশালী উপায় হলো আন্তর্জাতিক জলবায়ু চুক্তিতে খাদ্য ব্যবস্থার নির্গমনকে বাধ্যতামূলক ও স্বতন্ত্র বিভাগ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা। এর অর্থ হলো, প্যারিস চুক্তির পরবর্তী সংস্করণে বা কোপ সিদ্ধান্তে 'খাদ্য নির্গমন হ্রাস লক্ষ্য' নামে একটি আলাদা ধারা যুক্ত করা। এছাড়া, জাতীয় পর্যায়ে এনডিসিতে উদ্ভিদ-ভিত্তিক খাদ্যে স্থানান্তরের জন্য সুনির্দিষ্ট নীতি, যেমন মাংসের উপর কর আরোপ ও উদ্ভিদ-ভিত্তিক প্রোটিনে ভর্তুকি, অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। ডেনমার্ক ইতিমধ্যেই ২০২৩ সালে একটি 'উদ্ভিদ-ভিত্তিক খাদ্য তহবিল' চালু করেছে, যা দেখায় যে আইনি কাঠামো পরিবর্তন সম্ভব (ডেনিশ গভর্নমেন্ট, ২০২৩)।

ভোক্তা পর্যায়ে আইনি ফাঁকফোকরের প্রভাব কী?

ভোক্তা পর্যায়ে আইনি ফাঁকফোকরের প্রভাব সরাসরি দেখা যায়। মাংসের উপর কোনো কার্বন কর না থাকায়, এর দাম তার পরিবেশগত খরচ প্রতিফলিত করে না। অন্যদিকে, উদ্ভিদ-ভিত্তিক পণ্যগুলিতে প্রায়ই উচ্চ ভ্যাট আরোপ করা হয়, যা তাদের দাম বাড়িয়ে দেয়। যুক্তরাজ্যে, তাজা শাকসবজির উপর ২০% ভ্যাট রয়েছে, যেখানে মাংসের উপর ০% ভ্যাট (ইউকে গভর্নমেন্ট, ২০২৪)। এই আইনি অসামঞ্জস্য খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনকে ভোক্তাদের জন্য অর্থনৈতিকভাবে অলাভজনক করে তোলে। গবেষণায় দেখা গেছে, মাংসের উপর ২০% কর আরোপ করলে তার ব্যবহার ১০-১৫% কমতে পারে (বিএমজে গ্লোবাল হেলথ, ২০২১), কিন্তু আইনি ফাঁকফোকর এই ধরনের নীতি গ্রহণে বাধা সৃষ্টি করে।

জলবায়ু ন্যায়বিচার ও আইনি ফাঁকফোকর: বৈষম্যের গভীরতা

আইনি ফাঁকফোকর জলবায়ু ন্যায়বিচারের প্রশ্নকেও আরও জটিল করে তোলে। উন্নত দেশগুলি, যারা ঐতিহাসিকভাবে সবচেয়ে বেশি গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন করেছে, তারা খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনের বোঝা উন্নয়নশীল দেশগুলির ওপর চাপাতে চায়। কিন্তু আইনি ফাঁকফোকর এই বৈষম্যকে সুসংহত করে। উদাহরণস্বরূপ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন তার 'ফার্ম টু ফর্ক' কৌশলে খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনের কথা বললেও, বাধ্যতামূলক লক্ষ্য নির্ধারণ করেনি। অন্যদিকে, আফ্রিকার দেশগুলি, যাদের খাদ্য নির্গমন তুলনামূলকভাবে কম, তাদের ওপর পশুপালন কমানোর চাপ দেওয়া হচ্ছে। এই ফাঁকফোকর জলবায়ু ন্যায়বিচারের মূলনীতিকে লঙ্ঘন করে, কারণ এটি দায়িত্ব ও ক্ষমতার ভারসাম্যহীনতা তৈরি করে।

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

আইনি ফাঁকফোকর কীভাবে খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনকে প্রভাবিত করে?+

আইনি ফাঁকফোকর আন্তর্জাতিক জলবায়ু চুক্তি ও জাতীয় নীতিতে খাদ্য নির্গমনকে বাধ্যতামূলক না করে, সরকার ও কর্পোরেটদের উদ্ভিদ-ভিত্তিক খাদ্যে স্থানান্তরের মতো কার্যকর নীতি এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ দেয়। এর ফলে, খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন ব্যক্তিগত পছন্দের পর্যায়ে সীমাবদ্ধ থাকে এবং জলবায়ু লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হয়।

কোন দেশগুলি খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনের জন্য আইনি ফাঁকফোকর সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করে?+

ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার মতো দেশগুলি তাদের এনডিসি থেকে পশুপালন খাতের নির্গমন বাদ দিয়ে আইনি ফাঁকফোকর ব্যবহার করে। ইউরোপীয় ইউনিয়নও তার 'ফার্ম টু ফর্ক' কৌশলে বাধ্যতামূলক লক্ষ্য না রেখে এই ফাঁকফোকর কাজে লাগায়। যুক্তরাষ্ট্র মাংস ও দুগ্ধ শিল্পের লবিংয়ের মাধ্যমে সুনির্দিষ্ট নীতি গ্রহণে বাধা দিচ্ছে।

খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন কি জলবায়ু লক্ষ্য অর্জনে যথেষ্ট?+

একা খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন যথেষ্ট নয়, তবে এটি একটি অপরিহার্য উপাদান। আইপিসিসি (২০২২) অনুসারে, খাদ্য ব্যবস্থার নির্গমন ২০৫০ সালের মধ্যে ৫০% কমানো সম্ভব, যার অর্ধেক আসতে পারে উদ্ভিদ-ভিত্তিক খাদ্যে স্থানান্তর থেকে। কিন্তু আইনি ফাঁকফোকর দূর না হলে এই সম্ভাবনা বাস্তবায়িত হবে না।

কর্পোরেট লবিং কীভাবে আইনি ফাঁকফোকর তৈরি করে?+

মাংস ও দুগ্ধ শিল্পের লবি গ্রুপগুলি বিপুল অর্থ ব্যয় করে নীতিনির্ধারকদের প্রভাবিত করে, যাতে খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন সংক্রান্ত কোনো বাধ্যতামূলক নীতি না আসে। তারা 'টেকসই মাংস'-এর মতো অস্পষ্ট ধারণা প্রচার করে এবং ভর্তুকি ও কর নীতি পরিবর্তনের বিরোধিতা করে আইনি ফাঁকফোকরকে প্রশস্ত করে।

আইনি ফাঁকফোকর দূর করতে সাধারণ মানুষ কী করতে পারে?+

সাধারণ মানুষ খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করে এবং স্থানীয় ও জাতীয় প্রতিনিধিদের কাছে দাবি জানিয়ে আইনি ফাঁকফোকর দূর করতে ভূমিকা রাখতে পারে। ভোক্তা চাপের ফলে ডেনমার্কের মতো দেশগুলি উদ্ভিদ-ভিত্তিক খাদ্য তহবিল চালু করেছে। এছাড়া, স্বচ্ছ লেবেলিং ও নীতির জন্য প্রচারণা চালানো যেতে পারে।

উপসংহার: আইনি ফাঁকফোকর বনাম জলবায়ু লক্ষ্য—পথ কোথায়?

আইনি ফাঁকফোকর খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন ও জলবায়ু লক্ষ্যের মধ্যে একটি অদৃশ্য প্রাচীর তৈরি করেছে। এই প্রাচীর ভাঙতে হলে আন্তর্জাতিক আইন ও জাতীয় নীতিতে মৌলিক পরিবর্তন প্রয়োজন। কোপ৩০-এ (২০২৫) খাদ্য নির্গমনকে বাধ্যতামূলক লক্ষ্যের আওতায় আনার জন্য চাপ বাড়ছে, কিন্তু সেটি সম্ভব হবে কিনা তা নির্ভর করে নাগরিক সমাজ, বিজ্ঞানী ও নীতিনির্ধারকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর। যতক্ষণ না আইনি ফাঁকফোকর দূর হচ্ছে, ততক্ষণ খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন জলবায়ু সমাধানের একটি অলীক প্রতিশ্রুতি হিসেবেই থাকবে।

Enjoyed this? Save or share.

জলবায়ু
পরিবেশ দূষণ ও গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনের প্রতীক হিসেবে বাংলাদেশের ধানক্ষেতের উপর সূর্যোদয়ের দৃশ্য
জলবায়ু

পরিবেশ দূষণ: কোপ২৯-এর পর খাদ্য সরবরাহ শৃঙ্খলে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনের গভীর তদন্ত ২০২৫

কোপ২৯-এ খাদ্য ও কৃষি বিষয়ে গৃহীত সিদ্ধান্তের আলোকে বাংলাদেশের চাল সরবরাহ শৃঙ্খলে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনের প্রকৃত চিত্র উন্মোচন করছে এই তদন্ত।

4 মিনিট পঠন

একা বসবাসকারী একজন ব্যক্তি রান্নাঘরে সামুদ্রিক শৈবাল দিয়ে জলবায়ু পরিবর্তন অনুচ্ছেদের জন্য খাবার তৈরি করছেন
জলবায়ু

সামুদ্রিক শৈবাল ও মিথেন হ্রাস: একা বসবাসকারীদের জন্য জলবায়ু পরিবর্তন অনুচ্ছেদ ২০২৫

একা বসবাসকারী ব্যক্তিরা কীভাবে সামুদ্রিক শৈবাল-ভিত্তিক খাদ্য ও সহায়তার মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় মিথেন নির্গমন কমাতে পারেন, এই অনুচ্ছেদে তা বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

4 মিনিট পঠন

সামুদ্রিক শৈবাল চাষের দৃশ্য কক্সবাজারে, যা পরিবেশ দূষণ ও তার প্রতিকার ২০ পয়েন্টের অংশ হিসেবে মিথেন হ্রাসে ব্যবহৃত হচ্ছে
জলবায়ু

সামুদ্রিক শৈবাল ও মিথেন হ্রাস: পরিবেশ দূষণ ও তার প্রতিকার ২০ পয়েন্ট ২০২৫

বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে সামুদ্রিক শৈবাল চাষ কীভাবে গবাদি পশুর মিথেন নির্গমন কমিয়ে পরিবেশ দূষণ ও তার প্রতিকারের ২০ পয়েন্ট বাস্তবায়ন করছে

4 মিনিট পঠন

বিশেষ লেখা